Thursday, January 14, 2016
Monday, January 11, 2016
Thursday, January 7, 2016
ছেড়ে যাওয়া বান্ধবীকে লেখা এক ব্যর্থ প্রেমিকের চিঠি
শোনো,
যে প্রেম আমার ছিল না, তাকেও খুব কাছ থেকে অনুভব করেছিলাম আমি। ছুঁয়ে দেখেছিলাম তোমার জরাক্রান্ত মনকে আর হৃদয়ের কাঁটাতার ভেদ করে তোমার গভীরে লিখে এসেছিলাম কিছু মূল্যবান শব্দ। যে রাতে তোমার শব্দরা খসে পড়েছিল আমার কবিতা লেখা খাতার ভাঁজে, তখনও অভিমানে অজস্র শব্দ দিয়ে তোমায় আঘাত হানিনি। সূর্যটা খুব নিষ্ঠুর, দিনের আলোয় আমার চোখের জল শুকিয়ে দেয়, কাঁদতে পারিনা। তুমি ভেবেছ হয়তো সবই আমার মিথ্যা অভিনয়, কিন্তু ভোররাতের জোনাকিরা আমাকে দেখেছে ভিজতে, তাদের আলোয় চিকমিক করে উঠেছিলো আমার শুকনো মুখটা। মনে পড়ে তোমার, একসাথে এক লেকের ধারে আমরা সূর্যাস্ত দেখেছিলাম? আজ থেকে অনেক বসন্ত পেড়িয়ে কোনও এক মৃত বিকেলে সমুদ্রের ধারে যখন ব্যালকনিতে কফির কাপে ঠোঁট ছোঁয়াবে, এই নিষ্ঠুর সূর্য তখন তোমায় মনে করিয়ে দেবে পুরনো সেই স্মৃতিগুলো। আলগোছে চুমুক দিতে গিয়ে ঠোঁটটা হয়তো পুড়িয়ে ফেলবে একটু, কিন্তু বুকের ভিতর তোমার শিরশিরানি ঢাকা দিয়ে দেবে সেই জ্বালাকে। তোমার বেডরুমের আয়না তোমাকে বারবার অপরাধী প্রমান করবে। সেই বিকেলে চোখ ভিজিয়ে ঝাপসা আলোয় দেখতে পাবে আমার অজস্র প্রতিচ্ছবি। খুশী থেকো তোমাকে এরকম একটা বিকেল উপহার দিলাম বলে।
ইতি – তোমার এক ব্যর্থ প্রেমিক
ইতি – তোমার এক ব্যর্থ প্রেমিক
Sunday, January 3, 2016
ঘুমরাতের বন্ধু
প্রিয়া,
আজও আবছা মনে আছে তোমার মুখটা। তোমার সঙ্গে আলাপ
হয়েছিল আমার স্বপ্নে, আর দেখা হয়েছিল ঘুম ভাঙ্গা চোখে। আমাদের বন্ধুত্বটা হয়তো স্থায়ী
ছিল মাত্র দুই সপ্তাহ, কিন্তু তারই মাঝে তোমার আর আমার মধ্যে যে কথাগুলো হয়েছিল,
সেগুলো আজও মনে রেখেছি আমি। তোমার কথা আজও ভাবি আমি, জানিনা কোথায় আছো। কিন্তু
তোমার কথা ভেবে খুব কষ্ট হয় আমার, আমাদের মধ্যে এই দূরত্ব সৃষ্টি হওয়ার জন্য তো
আমিই দায়ী। যেই রাতে তোমার সাথে শেষ দেখা হয়েছিল আমার, মনে আছে সেদিন দুজনেই খুব
কেঁদেছিলাম। তারপরেই রাতের আলো আধারের খেলায় কোথায় যেন মিলিয়ে গেলে তুমি। পরের দিন
সকালে আর দেখা হল না আমাদের। সেদিন জানি অনেক কষ্ট পেয়েছ তুমি, আর আমি উপভোগ
করেছিলাম বাড়ির পূজাটাকে। ভাবতে পারিনি এই পূজাটার মাধ্যমেই নিজের একজন ভালো
বন্ধুকে হারাতে চলেছি আমি। পরে যখন রাতে শুয়ে শুয়ে ঘুম চোখে মনে পড়ল তোমার কথা, তখন
জানি অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমার জীবন থেকে বিদায় নিয়েছ তুমি তখন। চাইলেও আমরা আর
কোনোদিন একে অপরকে দেখা দিতে পারব না। চোখের জলেই স্মৃতিচারণ করে নিজের ভুলটাকে
শুধরে নিতে হবে বোধহয়। তোমাকে তো আমরাই বিদায় দিলাম, আসলে সমান্তরাল হলেও তোমার
অস্তিত্বকে হয়তো আজও আমরা মেনে নিতে পারিনি এই জগতে। তোমার পুনর্জীবন লাভের কামনা
করি।
Thursday, December 17, 2015
কাব্যহীন
জোৎস্নার আলো ঝরে পড়ছে আমার ঘুমে,
পৃথিবী দেখছে সেই উজ্জ্বল সৌন্দর্য,
তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা ব্যথা কেউ অনুভব করতে পারে না।
প্রতিটা আলোক কণার আঘাতে আমি বিদ্ধ হই,
সামুকের খোলের মতো ছায়া খুঁজে বেড়াই
সেই আশ্রয়ে বেঁচে থাকে কত পরজীবি।
প্রাচীন অনুভূতিগুলো আঙুলের ডগায় সুতোর পাকে বাঁধতে চাই,
মাঝরাতের নিশীরা ঘুরে বেড়ায় আমার প্রানের খোঁজে,
তবু ধরা দেবো না আমি।
ওই যে প্রানহীন মরুভূমি,
মরিচীকার গভীরে আমাদের ঠকায়,
ও ওরকম করতো না,
যদি না এই মানব সমাজের বিষ ওর বুকে বাসা বাঁধতো।
জলের বিন্দুগুলো ক্রমাগত ঝরে,
কত বকাবকি করেও আটকাতে পারি না,
ওদের তেজ ভীষন,
জমে থাকা পাথরকে নিমেষে গলিয়ে দেয়।
ঘড়ির কাঁটা তবুও থামতে চায় না,
ক্লান্ত হয়ে সময়ও শেষে অবসর চায়,
চতুর্দিকে বিরাজ করে এক দীর্ঘ অন্ধকার কুয়াশা,
যেখানে আমি হারিয়ে গেছি অনেক বছর আগে।
পৃথিবী দেখছে সেই উজ্জ্বল সৌন্দর্য,
তার ভেতরে লুকিয়ে থাকা ব্যথা কেউ অনুভব করতে পারে না।
প্রতিটা আলোক কণার আঘাতে আমি বিদ্ধ হই,
সামুকের খোলের মতো ছায়া খুঁজে বেড়াই
সেই আশ্রয়ে বেঁচে থাকে কত পরজীবি।
প্রাচীন অনুভূতিগুলো আঙুলের ডগায় সুতোর পাকে বাঁধতে চাই,
মাঝরাতের নিশীরা ঘুরে বেড়ায় আমার প্রানের খোঁজে,
তবু ধরা দেবো না আমি।
ওই যে প্রানহীন মরুভূমি,
মরিচীকার গভীরে আমাদের ঠকায়,
ও ওরকম করতো না,
যদি না এই মানব সমাজের বিষ ওর বুকে বাসা বাঁধতো।
জলের বিন্দুগুলো ক্রমাগত ঝরে,
কত বকাবকি করেও আটকাতে পারি না,
ওদের তেজ ভীষন,
জমে থাকা পাথরকে নিমেষে গলিয়ে দেয়।
ঘড়ির কাঁটা তবুও থামতে চায় না,
ক্লান্ত হয়ে সময়ও শেষে অবসর চায়,
চতুর্দিকে বিরাজ করে এক দীর্ঘ অন্ধকার কুয়াশা,
যেখানে আমি হারিয়ে গেছি অনেক বছর আগে।
Monday, December 7, 2015
পরীক্ষা
পাতার পর পাতা লিখে যাই শুধু,
কলমে মরচে পড়ে যায়, তবুও থামে না,
মানেহীন শব্দরা ঘুরে বেড়ায় আনাচে কানাচে।
কলমে মরচে পড়ে যায়, তবুও থামে না,
মানেহীন শব্দরা ঘুরে বেড়ায় আনাচে কানাচে।
কোন ঠিকানাহীন বন্দরের হাওয়া দীর্ঘ বয়ে চলে,
ঝাপসা চোখে আরও অন্ধকার নেমে আসে,
পেনের কালি তখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে,
চিন্তাগুলো মাথা এফোঁড়-ওফোঁড় করে ছুটে যায়।
তবুও ভেবে দেখার সময় নেই আজ,
বিশ্রামের ক্লান্তি মুখের ঘাম মোছে।
ক্লাসরুমের ঘণ্টার আঘাত
বজ্রঘাতের গর্জনের থেকেও ভয়ঙ্কর,
প্রশ্নগুলো ছিঁড়ে খায় আমাকে।
এর থেকে মুক্তির উপায় একটাই,
জানালার বাইরে একটা সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস।
ঝাপসা চোখে আরও অন্ধকার নেমে আসে,
পেনের কালি তখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে,
চিন্তাগুলো মাথা এফোঁড়-ওফোঁড় করে ছুটে যায়।
তবুও ভেবে দেখার সময় নেই আজ,
বিশ্রামের ক্লান্তি মুখের ঘাম মোছে।
ক্লাসরুমের ঘণ্টার আঘাত
বজ্রঘাতের গর্জনের থেকেও ভয়ঙ্কর,
প্রশ্নগুলো ছিঁড়ে খায় আমাকে।
এর থেকে মুক্তির উপায় একটাই,
জানালার বাইরে একটা সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস।
Tuesday, December 1, 2015
সুপ্ত আগুন
অভিমানটাকে সুখে থাকতে দাও, ওকে রাগে পরিণত করো না, কারণ ফলাফলটা কিন্তু আগ্নেয়গিরির থেকেও জোরে বিস্ফোরিত হতে পারে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
